Cat Soup-এ মৃত্যু-ভাবনাঃ ভালোবাসা এবং অনিবার্যতা

এবং অনেকটা তার খামখেয়ালীপনার কারণেই চারিদিক পানিতে ভেসে যাওয়া জায়গাগুলোরই এখন ধুঁ ধুঁ মরুভূমি হওয়ার পালা। “নোয়া’স ফ্লাড” হয়েছে আর “জোসেফ’স ফেমাইন” হবে না?

Continue reading “Cat Soup-এ মৃত্যু-ভাবনাঃ ভালোবাসা এবং অনিবার্যতা”

Ping Pong the Animation – ব্যর্থতা, সংগ্রাম আর জীবনের শৈল্পিকতা

বারবার ব্যর্থতার কথা বললেও পিংপং দ্য অ্যানিমেশন শুধু নিরাশার গল্প না। বরং সম্পুর্ণ বিপরীত। বাস্তব ঘেঁষা, পতনের অনিবার্যতার কথা বলা; কিন্তু তা মেনে নিয়ে উত্তরনের, হার না মানার, এর সবটুকু উপভোগ করার বার্তাবাহী।

Continue reading “Ping Pong the Animation – ব্যর্থতা, সংগ্রাম আর জীবনের শৈল্পিকতা”

Shouwa Genroku-তে আত্নহত্যা, আর রাকুগোর মঞ্চায়ন

কিন্তু কেবল রাকুগোর নিখুঁত মঞ্চায়নই না, তার চেয়েও বেশি কিছু, Shouwa Genroku এক অনবদ্য সিনেমাও। সামনে থেকে না দেখতে পাওয়া পারফর্মারের দেহের অঙ্গভঙ্গিগুলো আমরা দেখি, পারফর্মারের পাশে বসে, আসলেই মিশে একাকার হই, শুধু রাকুগোগুলোর গল্পের সাথেই না, তার পেছনের মানুষটার গল্পগুলোতেও।

Continue reading “Shouwa Genroku-তে আত্নহত্যা, আর রাকুগোর মঞ্চায়ন”

Penguindrum-এ ট্রেনযাত্রাঃ হারানো দশক অথবা টোকিওর ত্রানকর্তা

Mawaru Penguindrum কোন বৈশ্বিক গল্প না, তা পুরোপুরি জাপানের ইতিহাসের উপর ভর করা, এর মানুষ আর তাদের অতীত, তাদের পরিস্থিতি, তাদের দূর্দশার মনোসমীক্ষণ।

Continue reading “Penguindrum-এ ট্রেনযাত্রাঃ হারানো দশক অথবা টোকিওর ত্রানকর্তা”

আসানো ইনিও – মাঙ্গায় সাহিত্য-বাস্তবতা

জীবন কখন ছকে বাঁধা ছিলো? অথবা অনুমিত?
ইনিওর গল্প থেকে ঠিকরে বেড়োয় স্মৃতিকাতরতা। কৈশোরের বন্ধুত্ব আর প্রেম নিয়ে।

Continue reading “আসানো ইনিও – মাঙ্গায় সাহিত্য-বাস্তবতা”

রয় অ্যান্ডারসনের লিভিং ট্রিলজি – জীবন আর বিষন্নতার সৌন্দর্য

সুরা-বাস্তবতা আবেশ করা এক পরিবেশ, যেখানে অতীত আর বর্তমানের সুইডেনের যোগসূত্র ঘটে রয় অ্যান্ডারসনের চিরাচরিত ক্রূর রসিকতায় আর সুইডেনের ইতিহাসের ব্যাঙ্গাত্নক উপস্থাপনায়।

Continue reading “রয় অ্যান্ডারসনের লিভিং ট্রিলজি – জীবন আর বিষন্নতার সৌন্দর্য”

চন্দ্রাহত, ঘাসের উপর; চন্দ্রাহত, ঘাসের উপর

আমি এক লাইন-দু লাইন এগুতে চেষ্টা করি। কিন্তু ঘাস আর লতাপাতা এসে গলার কাছে জড়িয়ে যায়, কানের ভেতর ঢুকে পরে। তার থেকে হঠাৎ হঠাৎ গানের সুর ভেসে আসে। খুব পরিচিত, কিন্তু নামটা মনে করতে পারি না। না-উপস্থিত কেউ কেউ এসে কানের কাছে ফিসফিস করে কথা বলে যায়।

“ধার করা গল্প দিয়ে আর ক’দিন?” সেখান থেকে উডি অ্যালেন বলে।

“গল্পের একটা নাম তো দেওয়া দরকার এখন,” মুরকামির গলা ভেসে আসে। “নিশ্চয় কোন গানের নামে হবে!”

Continue reading “চন্দ্রাহত, ঘাসের উপর; চন্দ্রাহত, ঘাসের উপর”

সূর্যাস্তের আগে

আর সেখানটার পরিত্যক্ত বাড়ির বুক সমান উঁচু পাঁচিলের উপর বসে কলেজপড়ুয়া দুই মোবাইলে তার প্রেমিকার সাথে কথা বলছিল। দুই, যে কিনা আগামী বছর দেশের বাইরে চলে যাবে এবং আরো বেশ কয়েক দশক সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি নিয়ে ভালোভাবেই বেঁচে থাকবে, বলেছিল, “আমি তোমাকে ছাড়া একদিনও বাঁচবো না”। তার প্রেমিকা, যার আগামী বছর অন্য আরেকজনের সাথে বিয়ে হয়ে যাবে এবং সে-ও আরো বেশ কয়েক দশক সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি নিয়ে ভালোভাবেই বেঁচে থাকবে, কাঁদো কাঁদো আবেগঘন কন্ঠে বলেছিল, “আমিও না”।

Continue reading “সূর্যাস্তের আগে”

ভুভুজেলা, চেকোস্লোভাকিয়া কিংবা বাঁশেরপুলের ইতিহাস

একদিন রাতে তিনি শুয়ে শুয়ে স্মৃতির পাহাড় খুঁড়ে এই উক্তির অতীত বের করার চেষ্টা চালান এবং সেটাই হয় তার সেদিনকার ঘুমকে উপেক্ষার কৌশল। যথারীতিই এ রহস্য উদ্ধারের আগেই তিনি ঘুমিয়ে পরেন, এবং সকালে বিষয়টা বেমালুম ভুলে যান। আরো অনেকদিনের জন্য। কারণ মীর কাশেম ইতিহাসের ছাত্র ছিলেন, ভূতত্বের না। আর বাকি বেশিরভাগ দিন তিনি মিনিট দুয়েক চোখ বন্ধ করে দিনের ঘটনাগুলো মাথার মধ্যে ফিল্মের মত চালাতে থাকেন – আর তারপর দুপুর আর বিকালের মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে এসে তার স্মৃতি পূনর্ভ্রমনে হঠাৎ ছেদ পরে এবং তিনি ঘুমের সাগরে তলিয়ে যান। এই পূনর্ভ্রমন থেকে তিনি জীবন সম্পর্কিত কোন গূঢ় গাঢ় দর্শন বের করতে ব্যর্থ হোন। কারণ মীর কাশেম ইতিহাসের ছাত্র ছিলেন, সাহিত্যের না।

Continue reading “ভুভুজেলা, চেকোস্লোভাকিয়া কিংবা বাঁশেরপুলের ইতিহাস”